Islamic Bangla BD, YouTube channel

Islamic Bangla BD is a different kind of Islamic info channel. We provide all Popular Bangla islamic Historical story , waz , info , Hamd , naat & Islamic songs ,Islamic music video and Islamic historical videos. Be connected with us and enjoy and practice our Islamic Bangla BD channel . , আসসালামু আলাইকুম , আমাদের অনেক দর্শক স্রোতা আছেন যারা ইসলামিক বিভিন্ন তথ্য, ইসলামের সেরা মনিষদের জীবনী , ঐতিহাসিক ইসলামীক শিক্ষনীয় গল্প, মাছলা মাছায়েল , হামদ ও নাতের মিউজিক ভিডিও খুব পছন্দ করেন । সেইসব দর্শক স্রোতাদের কথা চিন্তা করে , রাসুল (সঃ) এর আদর্শকে ধারন করে ইসলামিক বাংলা Islamic Bangla BD চ্যানেল যাত্রা শুরু করে । উপোভোগ ও আমল করুন | আশা করি সব সময় আমাদের সাথেই থাকবেন ও অনুপ্রেরনা দিয়ে যাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে If you Like our channel pls click Like, Share & Subscribe . thanks Link https://www.youtube.com/c/IslamicBanglaBD Mixer Bangla songs YouTube Channel . Mixer Bangla songs is a different kind of music taste. We provide all Popular Bangla songs Remix music video and Recreational videos . Be connected with us and enjoy all new music video tracks and Recreational funny videos .Hope you enjoy .Music Can Predict About Your Personality. New entertainment channel আমাদের অনেক দর্শক স্রোতা আছেন যারা বাংলা গানের মিউজিক ভিডিও এবং বিনোদনমূলক ভিডিও খুব পছন্দ করেন । কিন্তু আমাদের দেশের জনপ্রিয় অনেক গায়ক ও গায়িকাদের সুপার হিট গান আছে যার ভালো মিউজিক ভিডিও নাই বা অনেক গানের মিউজিক ভিডিও ভাল লাগেনা । আবার অনেকে আছেন ভিন্ন ধারার/ স্বাদের রিমিক্স ভিডিও খুব পছন্দ করেন আর মজার ভিডিও দেখতে চান সেইসব দর্শক স্রোতাদের কথা চিন্তা করে লাইফ টিভি বাংলা ইউটিউব চ্যানেল তাদের প্রচার শুরু করে। বিনোদনের নতুন চ্যানেল Mixer Bangla songs Channel Link https://www.youtube.com/channel/UCgSBJ2G1mBEsWNxaONWbemg

বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১৬

  • বৃহস্পতিবার, জুলাই ২১, ২০১৬
  • BD News Tracker
  • No comments




          WWW.BDNEWSTRACKER.BLOGSPOT.COM

পবিত্র কাবা শরীফ বা আল্লাহর ঘর বর্গাকৃতি।  কাবাঘরের উচ্চতা ৩৯ ফুট ৬ ইঞ্চি। এর পূর্ব দেওয়াল ৪৮ ফুট ৬ ইঞ্চি, পশ্চিম দেওয়াল ৪৬ ফুট ৫ ইঞ্চি, উত্তর দেওয়াল (হাতিমের পাশ) ৩৩ ফুট এবং দক্ষিণ দেওয়ালে (কালো পাথর কর্নার থেকে ইয়েমেনি কর্নার) ৩০ ফুট। (ইবরাহিমিক ফাউন্ডেশন) এ পবিত্র ঘরখানা মানব কল্যাণের জন্য তৈরি করা হয়েছে। আল্লাহর ঘর কাবা শরীফ সর্বোত্তম বরকতময় অর্থাৎ সব বরকতের আঁধার। এখানে আল্লাহ তাআলার অনেক প্রকাশ্য নিদর্শনাবলী রয়েছে যেমন মাকামে ইবরাহিম, সাফা পাহাড়, মারওয়া পাহাড়, জমজম কূপ ইত্যাদি।
পবিত্র কাবা  ঘরের ভিতরের দৃশ্য ডা. মুজ্জামিল সিদ্দিকি, প্রেসিডেন্ট, ইসলামিক সোসাইটি, উত্তর আমেরিকা (আইএসএনএ) সৌভাগ্যক্রমে তিনি ১৯৯৮ সালের অক্টোবর মাসে এ পবিত্র ঘরখানার ভেতরে যাওয়ার সুযোগ পান। তিনি সাউন্ড ভিশনের সাক্ষাতকালে কাবাঘরের ভেতরের বর্ণনায় যা বলেন, তার কিছু অংশ এখানে উল্লেখ করা হলো-
কাবা ঘরের ভেতরে কোনো ইলেকট্রিক লাইট নাই।
 ভিডিও লিংক 

A Look Inside The Kabah

   
এ ঘরের মেঝে এবং ওয়াল মার্বেল পাথর দ্বারা নির্মিত।এ ঘরের কোনো জানালা নাই। কাবা ঘরের ১টি মাত্র দরজা।
আল্লাহ পাকের পবিত্র কাবা ঘরটির দরজা হাজরে আসওয়াদের পাশে কাবা ঘরের পূর্ব পাশে অবস্থিত। হাজরে আসওয়াদঃ হাজরে আসওয়াদ শব্দের অর্থ কালো পাথর। কাবাঘরের দক্ষিণ-পূর্ব কর্নারে সিনা বরাবর উঁচুতে দেওয়ালের কোনো রূপার বৃত্তে গাঁথা কালো পাথরকে হাজরে আসওয়াদ পাথর বলে এটি বেহেশতের একটি পাথর। বেহেশত হতে আসার সময় এটি দুধের মতো সাদা ছিল। কিন্তু বনি আদমের গোনাহ্ এটিকে কালো বানিয়ে ফেলেছে। এটি চুম্বন করা সুন্নত কিন্তু চুম্বন করতে গিয়ে কাউকে কষ্ট দেওয়া গুণাহ। বর্তমানে এখানে প্রচ- ভিড় থাকে। তাই এ ধরনের পরিস্থিতিতে দূরে থেকে হাত দ্বারা ইশরায় চুম্বন করা বাঞ্ছনীয়। হাজরে আসওয়াদ এবং চৌকাঠ ছাড়া বাইতুল্লাহ শরীফের অন্য কোনো জায়গায় চুমু খাওয়া জায়েজ নয়। মুলতাজামঃ কাবাঘরের দরজা ও হাজরে আসওয়াদ পাথরের মধ্যবর্তী স্থান। এটি দোয়া কবুলের স্থান। তাওয়াফ সমাপনের পর সম্ভব হলে বুক, চেহারা দেওয়ালে লাগাবেন এবং আঁকড়ে ধরবেন (যদি সুগন্ধি ব্যবহার না করে থাকেন)। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমি এ স্থানে যে দোয়াই করেছি তা কবুল হয়েছে। আপনি যেহেতু ইহরাম অবস্থায় আছেন সেহেতু কাবা শরীফে মোড়ানো চাদর যেন আপনার মাথা বা চুলকে স্পর্শ না করে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন। রোকনে ইয়ামেনীঃ কাবাঘরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে এটি অবস্থিত। যেহেতু এটি ইয়ামিনের দিকে অবস্থিত তাই একে রোকনে ইয়ামেনী বলা হয়। তাওয়াফের সময় এটিকে ডান হাত দ্বারা স্পর্শ করতে হয়, তবে না পারলে কোনো ইশারা করার প্রয়োজন নেই। রোকনে শামীঃ কাবাঘরের উত্তর-পশ্চিম কোণ, যা সিরিয়ার দিকে অবস্থিত। হাতিমঃ কাবাঘরের উত্তর দিকে অবস্থিত অর্ধ বৃত্তাকারের কাঁধ পর্যন্ত উঁচু দেওয়াল ঘেরা স্থানকে হাতিম বলে। এটি কাবাঘরের অংশবিশেষ।
পবিত্র কাবা শরীফ সম্পর্কে মূল্যবান কিছু তথ্য-
মানুষের আদি পিতা হযরত আদম (আ.) ইবাদতের জন্য একটি মসজিদ চেয়ে আল্লাহর নিকট দোয়া করলে আল্লাহর হুকুমে ফেরেশতারা বাইতুল ইজ্জত এর নকশা পৃথিবীর মধ্যস্থলে ফেলে দেন। বাইতুল ইজ্জত হচ্ছে চতুর্থ আসমানে অবস্থিত একটি মসজিদ যা ফেরেশতারা আল্লাহর ইবাদত করার জন্য ব্যবহার করে। হযরত আদম (আ.) এর ছেলে হযরত শীষ (আ.) ঐ নকশার উপর ভিত্তি করে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, এই মসজিদই আমাদের কাবা শরীফ।

অন্যান্য তথ্যঃ
১। কাবা শরীফের উচ্চতা পূর্ব দিক থেকে ১৪ মিটার, পশ্চিম ও দক্ষিন দিক থেকে ১২.১১ মিটার এবং উত্তর দিক থেকে ১১.২৮ মিটার। এর ভেতরের মেঝে রঙ্গিন মার্বেল পাথরে তৈরী।
২। এর সিলিংকে তিনটি কাঠের পিলার ধরে রেখেছে। প্রতিটি পিলারের ব্যাস ৪৪ সে.মি.। কাবা শরীফের দুটি সিলিং রয়েছে।
৩। এর ভেতরের দেয়ালগুলি সবুজ ভেলভেটের পর্দা দিয়ে আবৃত। এই পর্দাগুলি প্রতি তিন বছর পর পর পরিবর্তন করা হয়।
৪। এর ছাদে ১২৭ সে.মি লম্বা ও ১০৪ সে.মি. প্রস্থের একটি ভেন্টিলেটার আছে যেটি দিয়ে সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করে। এটি একটি কাচ দিয়ে ঢাকা থাকে। যখন কাবা ঘরের ভেতর ধোয়া হয় তখন এই কাচটি খোলা হয়।
৫। কাবা ঘরের ভেতর প্রতি বছর দুবার ধোয়া হয়, শাবান মাসের ১৫ তারিখ এবং মহররম মাসের মাঝামঝি সময়।
৬। মেঝে এবং দেয়াল গোলাপ আতর মিশ্রিত জমজমের পানি দিয়ে ধোয়া হয়। ধোয়ার পরে মেঝে এবং দেয়াল সাদা কাপড় ও টিসু দিয়ে মোছা হয়। এরপর দেয়ালগুলি পারফিউম দিয়ে সুগন্ধযুক্ত করা হয়।
৭। কাবা শরীফের কালো কাপড়ের আবরনটি(কিশওয়া) প্রতি বছর ৯ই জিলহজ্জ পরিবর্তন করা হয়। সূত্র : সৌদি গেজেট, ৩ জানুয়ারী, ২০১০।
বাস্তবিক কাঠামো ও অবস্থান
 কাবা একটি বড় পাথরের কাজ করা কাঠামো যার আকৃতি প্রায় একটি ঘন এর মত। কাবা শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ মুকা’আব অর্থ ঘন থেকে। এটি কাছের মাক্কাহ পাহাড়ের গ্রানাইট দ্বারা তৈরি যা দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ২৫সেঃমিঃ (১০ ইঞ্চি) মার্বেল পাথরের ভিত্তির উপর যা বাইরের দিকে ৩০সেঃমিঃ (১ ফুট) বাড়িয়ে আছে। কাঠামোতে জায়গার পরিমাণ প্রায় ১৩.১০ মিঃ (৪৩ ফুট) উচ্চতা, পাশাপাশি ১১.০৩ মিঃ ঢ ১২.৬২ মিঃ  চারটি কোন কম্পাসের প্রায় চার বিন্দু বরাবর মুখ করা।কাবার পূর্ব কোনা হচ্ছে রুকন-আল- আসওয়াদ” (কাল পাথর অথবা “আল-হাজারুল-আসওয়াদ”), একটি উল্কাপিন্ডের অবশেষ; উত্তর কোনা হল “রুকন-আল-ইরাকী” (ইরাকী কোণ); পশ্চিমে রয়েছে “রুকন-আল-সামী” (পূর্ব-ভূমধ্য সাগরীয় কোণ) এবং দক্ষিণে “রুকন-আল-ইয়ামানী” ।
কাবা কালো সিল্কের উপরে স্বর্ণ-খচিত ক্যালিগ্রাফি করা কাপড়ের গিলাফে আবৃত থাকে। কাপড়টি কিসওয়াহ নামে পরিচিত ; যা প্রতিবছর পরিবর্তন করা হয়।কালেমা সাহাদাত এ কাপড়ের মধ্যে সুতা দিয়ে লিখার কাঠামো তৈরি করা হয়। এর দুই তৃতীয়াংশ কোরানের বাণী স্বর্ণ দিয়ে এম্রোয়ডারি করা হয়।
পবিত্র কাবা শরীফ পরিস্কার করার জন্যে এর দরজা বছরে দুইবার খোলা হয়। রমজান এর ১৫ দিন আগে এবং হজ্জ এর ১৫ দিন আগে। কাবা শরীফের দরজার চাবি বনী সায়বা নামক এক গোত্রের কাছে থাকে (মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) এই চাবী এই গোত্রের কাছে দিয়েছিলেন, যা কিয়ামতের আগ পর্যন্ত তাদের কাছেই থাকবে)। তারা কাবা শরীফ পরিস্কার করার কাজের জন্য বিভিন্ন মুসলিম দেশের প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী, কুটনীতিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের দের অভিবাদন জানান। মক্কা শহরের গভর্নর তাদের কাবা শরীফের ভিতরে নিয়ে যান এবং তারা জমজম কুপের পানি এবং গোলাপ জল দিয়ে কাবা শরীফের ভিতর পরিস্কার করেন।

পবিত্র কাবা শরীফরে ভতিররে দৃশ্য (ভিডিও)

কাবা শরিফের ইতিহাস ।
কাবা শরিফ মুসলমানদের কেবলা । এ কাবা শরিফ মহান আল্লাহতালার এক অপূর্ব সৃষ্টি। প্রতি বছর লাখ লাখ মুসলমান কাবাঘর তাওয়াফ করতে মক্কা গমন করেন। পৃথিবীতে সর্বপ্রথম আল্লাহর নির্দেশে ফেরেশতারা কাবাঘর নির্মাণ করেন। কাবাঘরকে ল্য করে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের সূরা আল-ইমরানের ৯৬ আয়াতে বলেন, ‘নিশ্চয়ই সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের ইবাদত গা রূপে নিরূপিত হয়েছে, তা ওই ঘর যা মক্কাতে অবস্থিত।’
 কাবাঘরটি আল্লাহর আরশে মুয়াল্লাহর ছায়াতলে সোজাসুজি বায়তুল মামুরের আকৃতি অনুসারে স্থাপন করেন। হজরত আদম আঃ ও হজরত হাওয়া আঃ-এর পৃথিবীতে মিলন হলে তারা উভয় আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ইবাদতের জন্য একটি মসজিদ হজরত আদম আঃ আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। আল্লাহ তাদের দোয়া কবুল করেন এবং বায়তুল মামুরের আকৃতিতে পবিত্র কাবাঘর স্থাপন করেন। এখানে হজরত আদম আঃ সন্তুষ্টচিত্তে আল্লাহর ইবাদত করতে থাকেন (শোয়াব-উল-ঈমান, হাদিসগ্রন্থ) অনেক তফসিরবিদের মতে, মানব সৃষ্টির বহু আগে মহান আল্লাহতায়ালা কাবাঘর সৃষ্টি করেন। তফসিরবিদ মুজাহিদ বলেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বায়তুল্লাহর স্থানকে সমগ্র ভূপৃষ্ঠ থেকে দুই হাজার বছর আগে সৃষ্টি করেন।’ মুসলিম শরিফের একটি হাদিসে হজরত আবুজর গিফারি হতে বর্ণনা হয়েছে, রাসূল সাঃ তার একটি প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, ‘বিশ্বের সর্বপ্রথম মসজিদ হলো মসজিদে হারাম। এর পরের মসজিদ হলো মসজিদে আকসা। মসজিদে হারাম নির্মাণের ৪০ বছর পর মসজিদে আকসা নির্মিত হয়।’রীফ।

cweΠকাবা শরীফের ভিতরের দৃশ্য (wfwWI)


কাবা শরিফের ইতিহাস ।
কাবা শরিফ মুসলমানদের কেবলা । এ কাবা শরিফ মহান আল্লাহতালার এক অপূর্ব সৃষ্টি। প্রতি বছর লাখ লাখ মুসলমান কাবাঘর তাওয়াফ করতে মক্কা গমন করেন। পৃথিবীতে সর্বপ্রথম আল্লাহর নির্দেশে ফেরেশতারা কাবাঘর নির্মাণ করেন। কাবাঘরকে ল্য করে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের সূরা আল-ইমরানের ৯৬ আয়াতে বলেন, ‘নিশ্চয়ই সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের ইবাদত গা রূপে নিরূপিত হয়েছে, তা ওই ঘর যা মক্কাতে অবস্থিত।’
 কাবাঘরটি আল্লাহর আরশে মুয়াল্লাহর ছায়াতলে সোজাসুজি বায়তুল মামুরের আকৃতি অনুসারে স্থাপন করেন। হজরত আদম আঃ ও হজরত হাওয়া আঃ-এর পৃথিবীতে মিলন হলে তারা উভয় আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ইবাদতের জন্য একটি মসজিদ হজরত আদম আঃ আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। আল্লাহ তাদের দোয়া কবুল করেন এবং বায়তুল মামুরের আকৃতিতে পবিত্র কাবাঘর স্থাপন করেন। এখানে হজরত আদম আঃ সন্তুষ্টচিত্তে আল্লাহর ইবাদত করতে থাকেন (শোয়াব-উল-ঈমান, হাদিসগ্রন্থ) অনেক তফসিরবিদের মতে, মানব সৃষ্টির বহু আগে মহান আল্লাহতায়ালা কাবাঘর সৃষ্টি করেন। তফসিরবিদ মুজাহিদ বলেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বায়তুল্লাহর স্থানকে সমগ্র ভূপৃষ্ঠ থেকে দুই হাজার বছর আগে সৃষ্টি করেন।’ মুসলিম শরিফের একটি হাদিসে হজরত আবুজর গিফারি হতে বর্ণনা হয়েছে, রাসূল সাঃ তার একটি প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, ‘বিশ্বের সর্বপ্রথম মসজিদ হলো মসজিদে হারাম। এর পরের মসজিদ হলো মসজিদে আকসা। মসজিদে হারাম নির্মাণের ৪০ বছর পর মসজিদে আকসা নির্মিত হয়।’

images

ভিডিও লিংক


History of Mecca & The Kaaba Must Watch 


হজরত আদম আঃ কাবাঘর আল্লাহর আদেশে পুনর্র্নিমাণ করেন। এরপর বহুদিন অতিক্রম হলো। শত শত বছর অতিবাহিত হলো। আল্লাহর বান্দারা কাবাঘর জিয়ারত করত, আল্লাহর কাছে হাজিরা দিত এ কাবাঘরে সমবেত হয়ে। কাবাঘরে এসে মহান আল্লাহর পবিত্রতা ও অংশীদারহীনতা ঘোষণা দিত। ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নিয়’মাতা, লাকা ওয়াল মুলক, লাশারিকা, লাকা লাব্বাইক।’ এভাবে চলতে চলতে দিন গত হতে থাকল। এরপর হজরত শিষ আঃ কাবাঘর পুনর্র্নিমাণ করলেন। দিন দিন একাত্মবাদের সংখ্যা বাড়তে থাকল। এরপর কাবা শরিফ নির্মাণ বা পুনর্র্নিমাণ করেন হজরত ইব্রাহীম আঃ। হজরত ইব্রাহীম আঃ হজরত ইসমাঈল আঃ-কে সাথে নিয়ে কাবাঘর নির্মাণ বা পুনর্র্নিমাণ করেন। হজরত ইব্রাহীম আঃ কাবাঘর সংস্কার করে আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন। ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাদের উভয়কে আজ্ঞাবহ করো। আমাদের বংশ থেকে একটি অনুগত দল সৃষ্টি করো, আমাদের হজের রীতি-নীতি বলে দাও এবং আমাদের মা করো। নিশ্চয়ই তুমি দয়ালু। হে প্রতিপালক! তাদের মধ্য থেকেই তাদের কাছে একজন পয়গম্বর প্রেরণ করুন। যিনি তাদের কাছে তোমাদের আয়াত তেলাওয়াত করবেন। তাদের কিতাব ও হিকমত শিা দেবেন এবং পবিত্র করবেন। নিশ্চই তুমি মহাপরাক্রমশালী।’ আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত হজরত ইব্রাহীম আঃ ও হজরত ইসমাঈল আঃ-এর বংশ হতে হজরত মুহম্মদ সাঃ-কে শেষ নবী ও রাসূল হিসেবে আল্লাহ পৃথিবীতে প্রেরণ করেন, এরপর কয়েক শ’ বছর গত হলো। পবিত্র কাবাঘর সংস্কার করল আমালিকা সম্প্রদায়। তারপর আরো শ’ শ’ বছর কিংবা হাজার হাজার বছর পরে কাবাঘর সংস্কার করল মক্কার জুরহাস সম্প্রদায়। আরবের অর্থাৎ মক্কায় যেসব গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের প্রতিপত্তি ছিল, তাদের দায়িত্ব থাকত কাবা শরিফ রণাবেণের। এ দায়িত্ব পালনকে তারা সম্মানিত ও গর্বের মনে করত। শতাব্দীর পর শতাব্দী অতিবাহিত হলো। কাবা শরিফ ও কাবাঘরকে সংস্কার করলেন মোজার সম্প্রদায়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ নবুয়ত প্রাপ্তির পাঁচ বছর আগে কাবাঘর সংস্কার করে মক্কার বিখ্যাত কোরাইশ বংশ। এ কোরাইশ বংশেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ ৫৭০ খ্রিঃ জন্মগ্রহণ করেন। কোরাইশরা কাবা শরিফ সংস্কারের পর হাজরে আসওয়াদ স্থাপন নিয়ে মতভেদ দেখা দেয়। সবার সম্মতিক্রমে আল্লাহর রাসূল কাবাগৃহে হাজরে আসওয়াদ কাবা শরিফে স্থাপন করেন। মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ জীবিত অবস্থায় ৬৪ হিজরিতে আব্দুল্লাহ ইবনে জোবায়ের রাঃ কাবা শরিফ সংস্কার করেন। হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ৭৪ হিজরিতে কাবা শরিফ সংস্কার করেন। সুদীর্ঘ ১৪শ’বছরে কাবাগৃহে কোনো সংস্কারের প্রয়োজন হয়নি। শুধু কাবাঘরের চার পাশে অবস্থিত মসজিদে হারামের পরিবর্ধন,সংস্কার বা সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে কাবাঘরের রণাবেণের দায়িত্ব সৌদি রাজপরিবারের। সৌদি সরকারের প্রধান (বাদশাহ) কাবা শরিফের মোতোয়াল্লির দায়িত্বে থাকেন। ভৌগোলিক দিক দিয়ে মক্কা ও আরব উপদ্বীপ এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যস্থলে অবস্থিত।
ভিডিও লিংক

The Secret Of Kaaba


মক্কা নগরীর পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে হওয়ায় মহান আল্লাহ কাবাঘর মক্কাতেই স্থাপন করেন। পবিত্র হজ পালন করতে লাখ লাখ মুসলমান মক্কা শরিফে গমন করেন। জিলহজ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে মূল হজ অনুষ্ঠিত হয়। জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ঈদুল আজহার দিন। এ দিন কোরবানি দিতে হয়। যা হজরত ইব্রাহীম আঃ-এর ও হজরত ইসমাঈল আঃ-এ স্মৃতি বহন করে চলছে হাজার হাজার বছর ধরে। জমজম কূপও ঠিক তেমনি হজরত ইসমাঈল আঃ ও তাঁর মা বিবি হাজেরা আঃ-এর স্মৃতি বহন করে চলছে। এ জমজম কূপ মহান আল্লাহর কুদরতের অপরূপ মতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। হজ মুসলমানদের ঈমানের অন্যতম স্তম্ভ। আরবের মক্কা নগরীর পবিত্র কাবাঘর হেফাজতের মালিক মহান আল্লাহ নিজে। বিশ্ব মুসলমানদের মিলন মেলা ঘটে হজের মাধ্যমে পবিত্র কাবা শরিফে ।
 
  • বৃহস্পতিবার, জুলাই ২১, ২০১৬
  • BD News Tracker
  • No comments

পবিত্র কোরআনে বর্ণিত ফিঙ্গার প্রিন্টের রহস্য ভিডিও


                                   WWW.BDNEWSTRACKER.BLOGSPOT.COM

 বর্তমানে প্রায় অধিকাংশ অফিস আদালতেই এখন ফিঙ্গার প্রিন্টের ব্যবহার দেখা যায়। প্রতিদিন অফিসে ঢুকতে আর বের হতে দুবার মেশিনে চাপতে হয় বৃদ্ধাঙ্গুল। আর দরকারি কাগজে যারা সাক্ষর করতে পারেন না, তাদের থেকে নেয়া হয় বৃদ্ধাঙ্গুলের ছাপ। মানব দেহে এত অঙ্গ থাকতে আঙ্গুলের এত গুরুত্ব কেন? কী আছে আঙ্গুলের ছাপে? এটা এক জটিল প্রশ্ন।

সংক্ষেপে বললে বলতে হয়, মানবদেহের এই একটি আঙ্গুলের ভাঁজে রয়েছে মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সব নিদর্শন। এটাকে এক কথায় ডাটা ব্যাংকও বলা যেতে পারে। এই আঙ্গুলের একটি ডিএনএ’র কোড ছাপলে কয়েক লক্ষ পৃষ্ঠার আস্ত

ভিডিও
 

Miracles of Quran about fingerprints



বই বেরিয়ে আসবে। ফিঙ্গার প্রিন্টের এই রহস্য সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৬৮৪ সালে। ইংলিশ ফিজিসিয়ান, উদ্ভিদবিজ্ঞানী ও অনুবীক্ষণ যন্ত্রবিদ নিহোমিয়া গ্রিউ (১৬৪৭-১৭১২) একটি বৈজ্ঞানিক দৈনিকে করতল ও আংগুলের ছাপের রহস্যের সংযোগ সূত্রের ধারণার উত্থাপন করেন।

এর পর ১৬৮৫ সালে ডার্চ ফিজিসিয়ান গোভার্ড বিডলো (১৬৪৯-১৭১৩) এবং ইটালিয়ান বিজ্ঞানী মারসিলো বিডলো (১৬২৮-১৬৯৪) এনাটমির ওপর বই প্রকাশ করে ফিঙ্গার প্রিন্টের ইউনিক গঠনের আলোচনা উত্থাপন করেন। তবে এ আলোচনা এখানেই থেমে যায়। পরবর্তীতে দীর্ঘ বিরতির পর ১৮০০ সালে ফিঙ্গার প্রিন্ট পুনরায় জোরালোভাবে বৈজ্ঞানিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ১৮৭৫ সালে জেন জিন্সেন নামক এক ইংলিশ বিজ্ঞানি আবিষ্কার করেন আঙ্গুলের ছাপ একটি অসাধারণ বিষয়। এর রেখার ধরণ একটি আরেকটির চেয়ে একেবারেই ভিন্ন।

বাংলাদেশের বিজ্ঞানী সৈয়দ মুহাম্মাদ কাজী আজিজুল হকও ফিঙ্গার প্রিন্টের রহস্য উদ্ঘাটন করেন বলে তথ্য রয়েছে এবং তার উদ্ঘাটিত রহস্যটি ব্রিটিশ কর্মকর্তা এওয়ার্ড হেনরি চুরি করেছিলেন বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। ১৪০০ বছর আগের মানুষজন যদিও ফিঙ্গার প্রিন্টের অতশত রহস্য জানতেন না কিন্তু আল্লাহ পাক কুরআনে কারীমে এর রহস্যের কথা আলোচনা করেছেন। সুরা কিয়ামার ৩নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, ‘মানুষ কি মনে করে আমি তার অস্থিসমূহ একত্রিত করতে পারবো না? বরং আমি তার আঙ্গুলের ডগা পর্যন্ত সঠিকভাবে সন্নিবেশিত করতে সক্ষম।’


 ভিডিও



Miracles Of The Holy Quran Part 2 5 Unique Fingerprint Identity Roundness of the Earth 1


সুরা ইয়াসিনের ৭৮ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘সে আমার সম্পর্কে এক অদ্ভুত কথা বর্ণনা করে, অথচ সে নিজের সৃষ্টি ভুলে যায়। সে বলে, কে জীবিত করবে অস্থিসমূহকে যখন সেগুলো পচে গলে যাবে?’ মূলত এ আয়াতটি নিয়ে কাফেররা হাসাহাসি করত। তারা ইঙ্গিত করে বলত, আমাদের আঙ্গুল      অস্তিমজ্জাগুলো যখন পচে গলে যাবে সেগুলো থেকে পুনরায় কিভাবে আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করবেন।
তখন সুরা কিয়ামার আয়াতটিতে মানবদেহের রহস্যগুলোর কথা উল্লেখ করেন। মানবদেহের আঙ্গুলের ছাপকে একজন ব্যক্তির পুরো ডাটা ব্যাংক বলা হয়। এখানেই ব্যক্তির পুরো রহস্য ও তথ্যাবলি লুকিয়ে থাকে। পৃথিবীর প্রত্যেক মানুষের আঙ্গুলের ছাপ সম্পূর্ণ আলাদা। একজনের আঙ্গুলের ছাপ অন্যজনের সঙ্গে কোনোভাবেই সাদৃশ্যপূর্ণ নয়।

পৃথিবীর সৃষ্টির প্রথম মানুষ থেকে শুরু করে শেষ মানুষ পর্যš কোনো দুজনের আঙ্গুলের ছাপই এক রকম হবে না। মানুষের আঙ্গুলের আগার রেখার গঠন এবং গড়ন মাতৃগর্ভের প্রথম তিন মাসের মধ্যেই পূর্ণ হয়। এর নানাবিধ ব্যাখ্যা রয়েছে, একটি হল, মানুষের সকল চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এই আঙ্গুলের ছাপে এনকোডেড রয়েছে। কেবল আঙ্গুলের মাথার ছাপ দিয়েই মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য জানা সম্ভব।


মহান সৃষ্টিকর্তা কুরআনে মানুষের পুনরুত্থান ও তার বিচারের যে বিষয় উল্লেখ করেছেন সেটি মানবদেহের এই এনকোডেডের মাধ্যমেই সম্ভব। সুতরাং মানুষের পুনরুত্থানের সময় আল্লাহ মানবদেহ পুরাপুরি ফিরিয়ে দেবেন এবং বিচার করবেন। মানবদেহে লুকিয়ে থাকা এসব চমকপ্রদ আবিস্কার এবং কুরআনের বর্ণনা সে দিকেই ইঙ্গিত করে।

বিজ্ঞানের আরেকটি যুগাšকারী আবিস্কার মানুষের ডিএনএ। ডিএনএ আবিস্কার হওয়ার পর মানুষ সৃষ্টির সরল ব্যাখ্যাগুলো বাতিল হয়ে গেছে। মানুষের একটি ডিএনএ কোটি কোটি কোড সম্বলিত। মানুষের চুলের রঙ থেকে শুরু করে নখ পর্যš সব তথ্য এই কোডে রয়েছে। আঙ্গুলের আগার একটি ডিএনএ’র কোড ছাপলে হাজার হাজার পৃষ্ঠার তথ্য বেরিয়ে আসবে। আর আঙ্গুলের আগার একটি ডিএনএ দিয়ে ব্যক্তির সব তথ্য জানা সম্ভব।


  ভিডিও লিংক  ডাক্টার  জাকির নায়েক 

রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১৬

  • রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১৬
  • BD News Tracker
  • No comments

ভালোবাসার উদ্দেশ্য
মানুষ কেন ভালোবাসে? এই প্রশ্নে দার্শনিক এবং বিজ্ঞানীদের উত্তর অভিন্ন নয়। কেউ কেউ বলছেন, ভালোবাসায় শারীরিক প্রয়োজনটাই মুখ্য, আবার কারো কারো বিবেচনায় হৃদয়ের টানই সবচেয়ে বড় কথা।
‘অন্য সত্তা’র সঙ্গে আবার মিলিত হতে
প্লেটো ‘সিম্পোজিয়াম’-এ যে তত্ত্ব দিয়েছেন তা জেনে অনেকেই অবাক হবেন। তিনি লিখেছেন, মানুষ একসময় দুই মাথা এবং চার হাত, চার পা বিশিষ্ট প্রাণী ছিল। তার কোনো আচরণে ঈশ্বর অসন্তুষ্ট হয়ে বজ্রপাত ঘটালে মানুষ দুই ভাগ হয়ে যায়। সেই থেকেই নাকি মানুষ নিজের সত্তার অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন। সবসময় সে অন্য অংশটির প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে। প্লেটোর মতে, সেই আকর্ষণটাই হলো ভালোবাসা।
অন্যের কাছ থেকে সুখ পেতে
জার্মান দার্শনিক আর্টুর শোপেনহাউয়ার (১৭৮৮-১৮৬০) মনে করেন, মানুষ সহজাতভাবেই আশা করে অন্য কেউ তার অপূর্ণতা দূর করে তাকে সুখি করবে। কিন্তু সেই সুখের সন্ধান করতে গিয়ে মানুষ সন্তানের জন্ম দেয় এবং তারপর সব সুখবোধ চলে যায় সন্তানের দিকে।
একাকিত্ব ঘুচাতে
ব্রিটিশ দার্শনিক ব্রার্ট্রান্ড রাসেলের মতে, মানব জাতি পৃথিবীতে এসেছে বংশ বিস্তার করতে। বংশ বিস্তার করতে গেলে যৌন মিলন করতে হয়। কিন্তু ভালোবাসা ছাড়া যৌনমিলনে তৃপ্তি আসেনা। আবার দৈনন্দিন জীবনের নানা ধরনের সমস্যা মানুষের মধ্যে এক ধরনের একাকিত্ববোধের জন্ম দেয়। ভালোবাসা সেই একাকিত্ব এবং নিরাপত্তাহীনতার বোধ থেকে মুক্তি দেয়।
গৌতম বুদ্ধ যা বলেছেন...
গৌতম বুদ্ধ বলে গেছেন, মানুষ জাগতিক সাধ-আহ্লাদ পূরণের জন্যই ভালোবাসে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা বুদ্ধের মতে, সেটা ভুল। তাঁর মতে, এক ব্যক্তির সঙ্গে অন্য ব্যক্তির আবেগের সম্পর্ক কেবলই দুর্ভোগ বাড়ায়। তাই সবার প্রতি সংসারের মায়া কাটিয়ে ঈশ্বর সাধনায় মোক্ষ লাভে ব্রতী হবার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার, ১০ জুলাই, ২০১৬

  • রবিবার, জুলাই ১০, ২০১৬
  • BD News Tracker
  • No comments
www.bdnewstracker.blogspot.com
মোবাইল কল রিসিভ করা সংক্রান্ত সতর্কতামূলক একটি পোস্ট ৪ জুলাই সোমবার থেকে, ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে।
পোস্টটি হচ্ছে:
‘বন্ধুরা আশা করি আপনারা প্রত্যেকেই এই রকম কিছু ফোন নাম্বার থেকে মিস কলের শিকার হয়েছেন। +375602605281, +37127913091 +37178565072 +56322553736 +37052529259+25 5901130460…অথবা, এমন কিছু নম্বর যার শুরুতে এই code গুলো ছিল +375 +371 +381, এই টাইপের নম্বর থেকে একটা মিসড কল হলে অথবা কিছুক্ষণ রিং বেজে বন্ধ হয়ে গেলে, আপনি যদি এই সকল নম্বরের মধ্যে কোনো একটায় কল ব্যাক করেন তবে আপনার ব্যালেন্স থেকে 15-30$ কেটে নেওয়া হবে, আর তিন সেকেন্ডের মধ্যে আপনার কনট্যাক্ট লিস্ট এর সম্পূর্ণ কপি তাদের কাছে পৌঁছে যাবে।
আপনার ফোনে যদি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেলস্ অথবা ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডের তথ্য সেভ করা থাকে তবে সেগুলোও তারা কপি করতে সক্ষম হবে। জেনে নিন এই সকল ফোন কোন কোন জায়গা থেকে করা হয় ও কোন জঙ্গিগোষ্ঠি করে থাকে… +375 is from Belarus +93 is From Afghanistan +371 is code for Lativa +381 is from Serbia +563 is code of Valparaiso +370 is code of Vilnius +255 is code of Tanzania … এই সকল ফোন ISIS জঙ্গিরা করে থাকে।
সবাই সাবধান হোন। ভুল করেও ফোন রিসিভ করবেন না ও কল ব্যাক করবেন না। আপনার ফোন থেকে কখনও #90 ও #09 প্রেস করবেন না। কোনো নম্বর থেকে ফোন করে আপনাকে প্রলোভন মূলক কোনো কথা বলে যদি #90 ও #09 চাপতে বলা হয়, দয়া করে তা কখনওই করবেন না। এতে আপনার ফোনের সিম কার্ড ক্লোনিং করে, আপনার নম্বরের আর একটি সিম কার্ড বানিয়ে নেবে তারা। তারপর আপনার নম্বর ব্যবহার করে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি বিভিন্ন অসামাজিক কাজ করবে, যার বিন্দুমাত্রও আপনি টের পাবেন না। ফোন ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন, সর্বদা সতর্ক থাকুন।’
– ফেসবুকে অনেক ব্যবহারকারী এই পোস্টটি শেয়ার করছেন। অনেকে এই তথ্যের সূত্র হিসেবে ‘সৌজন্য: র‌্যাব-১’ উল্লেখ করে শেয়ার করছেন। একাধিক অনলাইন পত্রিকা র‌্যাবের সতর্কতা উল্লেখ করে এই পোস্ট নিয়ে নিউজও করেছে।
বর্তমানে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার এই পোস্টটির তথ্য র‌্যাবের ওয়েবসাইট কিংবা র‌্যাবের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে গিয়ে দেখা যায়নি। ফলে পোস্টটির তথ্যগুলো সঠিক নাকি ভুল তা নিয়ে বিভ্রান্তিও তৈরি হচ্ছে। অনেকে তথ্যগুলো সঠিক বলে শেয়ার করছেন আবার অনেকে ভুল তথ্য বলে বিশ্বাস না করার জন্য মতামত দিচ্ছেন। বলছেন, বিষয়টি যাচাই করার জন্য। কেননা এটি নাকি ধোকাবাজি তথ্যের।
তবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার অফিসিয়াল ফেসবুকে পেজে এই পোস্ট নিয়ে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের করা নিউজ শেয়ার করায়, অনেকে বিশ্বাস না করে পারছেন না।

ফোনে কল দিয়ে কেউ বেশি উত্যক্ত করছে? তার নাম-ঠিকানা বের করে ফেলুন খুব সহজেই !

www.bdnewstracker.blogspot.com
মোবাইলে অচেনা নম্বর থেকে ক্রমাগত কল বা মিসকল আসার মত বিরক্তিকর ব্যাপার কিছুই হতে পারে না। বিশেষত মেয়েদের জন্যে এই ভোগান্তি তো একেবারেই অলিখিত। বকাঝকা, ফোন সাইলেন্ট করে রাখা কোন কিছুতেই যেন কাজ হয় না। কিন্তু ভাবুন তো, অচেনা এই লোকটির নাম ঠিকানা যদি এক মিনিটেই আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসে, আর আপনি উলটো তার নাম ধরে ডেকে বেশ ভালো রকম একটা হুমকী দিতে পারেন, কিংবা সহজেই পুলিশের কাছে তার নাম ঠিকানা দিয়ে দিতে পারেন, তাহলে কি ভালোটাই না হতো! না স্বপ্ন নয় একেবারেই, প্রযুক্তির উৎকর্ষে এই ছোট্ট কাজটি আপনি করতে পারেন স্রেফ ঘরে বসেই। আপনার স্মার্টফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে কয়েক সেকেন্ডেই নামিয়ে নিতে পারেন, এইসব অচেনা নাম্বার থেকে ফোনদাতার নাম ঠিকানা, সবই!
True caller:
এই ছোট্ট অ্যাপস টি পাবেন গুগল প্লে স্টোরে। এটি আপনার ফোনে ইন্সটল করে নিন। তারপর কোন অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই, স্রেফ জাদুর মত আপনার ফোনে ভেসে উঠবে কলদাতার নাম। তবে হ্যাঁ, শর্ত প্রযোজ্য। সেই নম্বরটি যদি তার নামে রেজিস্ট্রেশন করা থাকে, তবেই আপনি এই সুবিধাটা পাবেন। আর সেই লোক যদি ফেসবুকে এই নম্বরটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তো দেখতে পাবেন তার ছবি সহই! দেখে নিন তো, পরিচিত কেউই আপনার সাথে এই বিরক্তিকর আচরণটি করছে কিনা! বাড়তি পাওনা হিসেবে বিনেপয়সায় আপনি এই কলদাতাকে ব্লক করে রাখতে পারবেন।
Facebook:
বার বার ফোন করতেই থাকা বিরক্তিকর নম্বরটিকে কিন্তু আপনি ট্র্যাক করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেও। ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে ফোন নম্বরটি টাইপ করুন। সে ব্যক্তি যদি এই ফোন নম্বরটি তার একাউন্টে ব্যবহার করে (করার সম্ভাবনা খুব বেশী), তাহলে তাকে সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
LINE whoscall:
অনেকটা ট্রুকলারের মতই এটিও অচেনা ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম ও অন্যান্য তথ্য ও তার মোবাইলে লোকেশন অন থাকলে তার ঠিকানা অব্দি দেখিয়ে দেবে আপনাকে।
Mobile Number Locator:
অচেনা নম্বর থেকে ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি। অ্যাপটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ। গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।
আমি নিজে ট্রু কলার ব্যবহার করি। তবে, আপনি আপনার সুবিধামত যে কোনটি বেছে নিতে পারেন। আর দেরী কেন, মুখোশ খুলে নিন বিরক্তিকর ফোন বা মিসকলদাতার। ভালো থাকুন
http://bdnewstracker.blogspot.com/
  • রবিবার, জুলাই ১০, ২০১৬
  • BD News Tracker
  • No comments
  


সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি শিশুর শরীর একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে রূপান্তরিত হয় এবং প্রজননের সক্ষমতা লাভ করে। মস্তিষ্ক থেকে গোনাডে (ডিম্বাশয় ও শুক্রাশয়) হরমোন সংকেত যাবার মাধ্যমে এটির সূচনা ঘটে। ফলশ্রুতিতে গোনাড বিভিন্ন ধরনের হরমোন উৎপাদন শুরু করে যার ফলে মস্তিষ্ক, অস্থি, পেশি, ত্বক, স্তন, এবং জনন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহের বৃদ্ধি শুরু হয়। বয়ঃসন্ধির মধ্যভাগে এই বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয় এবং বয়ঃসন্ধি শেষ হবার মাধ্যমে এই বৃদ্ধি সম্পূর্ণ হয়। বয়ঃসন্ধি শুরুর পূর্বে ছেলে ও মেয়ের মধ্যে পার্থক্য প্রায় সম্পূর্ণটাই বলতে গেলে শুধু যৌনাঙ্গের ভেতর সীমাবদ্ধ থাকে। বয়ঃসন্ধির সময়, শরীরের গঠনের আকার-আকৃতি, গুরুত্ব ও কাজে প্রধান পার্থক্যগুলো প্রতীয়মান হয়। এদের মধ্যে খুবই অবশ্যম্ভাবী পরিবর্তনগুলোকে সেকেন্ডারি যৌন বৈশিষ্ট্য বলা হয়।
আক্ষরিক অর্থে (এবং এই নিবন্ধটিতে যে সম্মন্ধে বলা হয়েছে) বয়ঃসন্ধি বলতে বোঝায় যৌন পরিপক্কতার জন্য শরীরে যেসকল পরিবর্তন আসে সেটাকে। বয়ঃসন্ধিকালের উন্নতিতে মনোসামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভূমিকা এটার অন্তর্ভুক্ত নয়। বয়ঃসন্ধিকাল হচ্ছে শৈশব ও সাবালকত্বের মধ্যবর্তী একটি মানসিক ও সামাজিক ক্রান্তিকাল। বয়ঃসন্ধিকাল, বয়ঃসন্ধির সময় দ্বারা প্রভাবিত হয় বটে কিন্তু এটা আলোচনার সীমারেখা যথাযথভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায় না। সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালের ব্যাপারে আলোচনার ক্ষেত্রে কৈশোর সময়কার শারীরিক পরিবর্তনের চেয়ে সেই সময়ের মনোসামাজিক ও সাংস্কৃতিক এবং আচার-আচরণের বিকাশকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।

ছেলে ও মেয়ের বয়ঃসন্ধির মধ্যে পার্থক্য


যদিও বয়ঃসন্ধি শুরুর সাধারণ বয়সসীমার মধ্যে ব্যাপক তারতম্য রয়েছে, কিন্তু গড়পড়তা মেয়েদের বয়ঃসন্ধির প্রক্রিয়া ছেলেদের ১-২ বছর আগে শুরু হয় (গড় বয়স: মেয়েদের ৯-১৪ বছর, এবং ছেলেদের ১০-১৭ বছর) এবং অল্পসময়ের মাঝেই সম্পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়। সাধারণত বয়ঃসন্ধির প্রথম লক্ষণ দেখা দেয়ার চার বছরের মধ্যেই মেয়েরা তাদের উচ্চতা ও প্রজনন পরিপূর্ণতা লাভ করে। এক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে ছেলেদের বৃদ্ধিটা হয় একটু ধীরে, কিন্তু সাধারণত বয়ঃসন্ধির পরিবর্তন শুরুর ছয় বছরের মধ্যে তারাও পরিপূর্ণতা লাভ করে।
পুরুষের ক্ষেত্রে, টেস্টোস্টেরনের অ্যান্ড্রোজেন হলো প্রধান যৌন স্টেরয়েড। অল্পসময়ের মধ্যেই টেস্টোস্টেরনের প্রভাবে সকল পুরুষালি বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে। পুরুষে টেস্টোস্টেরনের রাসায়নিক রূপান্তরের ফলে অন্যতম যে স্টেরয়েড উৎপন্ন হয় তা হলো এস্ট্রাডিওল। যদিও এটার সীমাবৃদ্ধি ঘটে মেয়েদের চেয়ে অনেক ধীরে ও দেরিতে। ছেলেদের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয় মেয়েদের তুলনায় আরো পরে, অনেক ধীরে; এবং এপিফিসেস জোড়া না লাগার আগ পর্যন্ত এই বৃদ্ধি বিদ্যমান থাকে। বয়ঃসন্ধি শুরু হবার আগে উচ্চতায় ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় ২ সে.মি. খাটো থাকলেও একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার তুলনায় গড়ে ১৩ সে.মি. (৫.২ ইঞ্চি) খাটো।
মেয়েদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধিটা নির্ধারিত হয় এস্ট্রাডিওল ও ইস্ট্রোজেন হরমোন দ্বারা। যেখানে এস্ট্রাডিওল স্তন ও জরায়ুর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটা প্রধান হরমোন যা বয়ঃসন্ধিকালীন বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং এপিফিসিয়াল পরিপক্কতা ঘটায় এবং সম্পূর্ণ করে। ছেলেদের চেয়ে এস্ট্রাডিওল সীমার বৃদ্ধি মেয়েদের বেশি ও আগে হয়।

বয়ঃসন্ধির শুরু

বয়ঃসন্ধির শুরু হয় GnRH (জিএনআরএইচ)-এর উচ্চ স্পন্দনের মাধ্যমে, যা যৌন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ায়।
জিএনআরএইচ বৃদ্ধির কারণ ধারবাহিকভাবে চলতে থাকে। বয়ঃসন্ধি সাধারণত পুরুষের ৫৫ কে.জি. এবং মেয়েদের ৪৭ কে.জি. ওজনে শুরু হয়। শরীরের ওজনের এই পার্থক্যের কারণ জিএনআরএইচ বৃদ্ধি, যা লেপ্টিনের (এক প্রকার প্রোটিন হরমোন) চাহিদা বাড়িয়ে দেয়। এটা জানা যে হাইপোথ্যালামাসে লেপ্টিন গ্রহীতা হিসেবে কাজ করে, যেগুলো জিএনআরএইচ সংশ্লেষ করে। দেখা যায় যাদের লেপ্টিন উদ্দীপ্ত হতে দেরি হয় তাদের বয়ঃসন্ধি শুরু হতেও দেরি হয়। লেপ্টিনের পরিবর্তন বয়ঃসন্ধির প্রারম্ভেই শুরু হয়, এবং প্রাপ্তবয়স্কতাপ্রাপ্তির সাথে সাথে শেষ হয়। যদিও বয়ঃসন্ধির শুরুর সময় বংশানুক্রমিক কারণেও পরিবর্তিত হতে পারে।

ছেলেদের ক্ষেত্রে শারীরিক পরিবর্তন

শুক্রাশয়ের আকার, কাজ, এবং উর্বরতা
ছেলেদের ক্ষেত্রে শুক্রাশয়ের বৃদ্ধি হচ্ছে শারীরিকভাবে প্রতীয়মান হওয়া বয়ঃসন্ধির প্রথম লক্ষণ। একে গোন্যাডার্কি (gonadarche) বলে। এক বছর বয়স থেকে বয়ঃসন্ধির প্রারম্ভ পর্যন্ত ছেলেদের শুক্রাশয়ের বৃদ্ধি হয় খুবই কম। গড় হিসাব করলে আয়তন হয় ২-৩ সি.সি. (কিউবিক সেন্টিমিটার/ঘন সেন্টিমিটার) এবং দৈর্ঘ্য হয় ১.৫-২ সে.মি.। বয়ঃসন্ধি শুরুর মাধ্যমে শুক্রাশয়ের বৃদ্ধি শুরু হয়, এবং ছয় বছর পরে সর্বোচ্চ পরিপক্ক আকারপ্রাপ্ত হয়।[৬] যখন গড় আয়তন হয় ১৮-২০ সি.সি., যদিও সাধারণ জনসংখ্যার মধ্যে এ আয়তনের ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়।
শুক্রাশয়ের দুটি প্রাথমিক কাজ রয়েছে: প্রথমতঃ হরমোন উৎপাদন এবং দ্বিতীয়তঃ শুক্রাণু উৎপাদন। লেডিগ কোষ, টেস্টোস্টেরন (যা নিচে আলোচনা করা হয়েছে) উৎপাদন করে, যা পুরুষের যৌন পরিপক্কতার বেশির ভাগ পরিবর্তনের কারণ। এছাড়া যৌনকামনা নিয়ন্ত্রণ করে। পুরুষের শুক্রাণু উৎপাদন, এবং যৌন-উর্বরতার বিকাশের সময়কাল খুব একটা সুনির্দিষ্ট নয়। বেশিরভাগ ছেলের বয়ঃসন্ধি পরিবর্তন শুরু হওয়ার পরবর্তী বছরেই সকালের প্রস্রাবে শুক্রাণু উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যেতে পারে (এবং কারো ক্ষেত্রে আরো আগেই)। ছেলেদের মধ্যে ১৩ বছর বয়সেই প্রচ্ছন্ন উর্বরতা দেখতে পাওয়া যায়, কিন্তু ১৪-১৬ বছরের আগে পুরোপুরি উর্বরতা আসে না। যদিও, কারো ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় অতি দ্রুত, মাত্র এক বছর পরেই।
শ্রোণীদেশে লোম (পিউবিক হেয়ার)
শ্রোণীদেশীয় লোম সাধারণত যৌনাঙ্গ বৃদ্ধি শুরু হওয়ার কিছুদিন পরেই দেখা যায়। ছেলেদের পিউবিক হেয়ার সাধারণত সর্বপ্রথম দেখা যায় শিশ্নের গোড়ার দিকে। প্রথম কিছু চুলকে বলা হয় দ্বিতীয় পর্ব। তৃতীয় পর্ব শুরু হয় পরবর্তী ৬-১২ মাসের মধ্যে, যখন চুলের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। চতুর্থ পর্বে, পিউবিক হেয়ার ঘন হয়ে “পিউবিক ট্রায়াঙ্গল” সম্পূর্ণ করে ফেলে। পঞ্চম পর্বে, পিউবিক হেয়ার নিচের দিকে উরুতে এবং উপরের দিকে নাভী পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, যাকে তলপেটের চুল বা অ্যাবডোমিনাল হেয়ার বলা হয়।
শরীর ও মুখের লোম
পিউবিক হেয়ার দেখা দেয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই অ্যান্ড্রোজেনের প্রভাবে শরীরের অন্যান্য অংশে ঘন চুলের অস্তিত্ব দেখা যায়। এদেরকে অ্যান্ড্রোজেনিক চুল বলে। চুলগুলো পর্যায়ক্রমে সারা শরীরে আবির্ভূত হয়। এচুল আবির্ভাবের ক্রমটি হলো: বগলের চুল, পায়ুদেশের চুল, গোঁফ, সাইডবার্ন চুল, অ্যারিওলার পার্শ্বদেশের চুল, এবং দাড়ি। এছাড়া বাহু, পা, বুক, তলপেট, এবং পেছনের চুল আরো বেশি ঘন হয়ে ওঠে। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের শরীরের একটা বড়ো অংশ জুড়েই চুলের অস্তিত্ব দেখা যায়। তবে এ চুলের বৃদ্ধিকাল এবং পরিমাণ প্রজাতিভেদে বিভিন্নরকম হতে পারে। বয়ঃসন্ধির সময় পুরুষের ফেসিয়াল হেয়ার (মুখের চুল) সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ক্রমে একে একে পরিলক্ষিত হয়। প্রথমে ফেসিয়াল হেয়ার দেখা যায় উপরের ঠোঁটের দুই কোণায়; সাধারণত ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সে। আস্তে আস্তে এই চুল সম্পূর্ণ উপরের ঠোঁটে বিস্তৃতি লাভ করে এবং গোঁফ-এ পরিণত হয়।

মেয়েদের ক্ষেত্রে শারীরিক পরিবর্তন

স্তনবৃদ্ধি
মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধির প্রথম লক্ষণ হিসেবে এক বা উভয় স্তনের অ্যারিওলার (areola) নিচে সাধারণত একটা শক্ত ও কোমল পিণ্ড দেখা যায়। এ ব্যাপারটা গড়ে ১০.৫ বছর বয়সে ঘটে। এটাকে বলা হয় থেলারশে। এটা হচ্ছে স্তনবৃদ্ধির দ্বিতীয় পর্ব যা বয়ঃসন্ধির ট্যানার পর্ব নামেও পরিচিত (বয়ঃসন্ধি পূর্ববর্তী, স্তন সমান থাকাকালীন সময়টা হচ্ছে প্রথম পর্ব)। এরপর ৬-১২ মাসের মধ্যে স্তন উভয় পাশেই ফুলে ও নরম হয়ে ওঠে। তখন অ্যারিওলার প্রান্ত ছাড়িয়ে স্তনের বর্ধিত অংশ দেখা ও অনুভব করা যায়। এটা হচ্ছে স্তনবৃদ্ধির তৃতীয় পর্ব। পরবর্তী ১২ মাসে (চতুর্থ পর্বে) স্তন পরিণত আকার ও আকৃতি পেতে শুরু করে। তখন অ্যারিওলা ও প্যাপিলা একত্রে মধ্যম আকৃতি বিশিষ্ট একটি উঁচু অংশের (mound) সৃষ্টি করে। (পঞ্চম পর্বে) বেশিরভাগ তরুণীর ক্ষেত্রে এই এই উঁচু অংশটি পরিণত স্তনের গোড়ার দিকের প্রান্তরেখা বা দেহরেখার সাথে মিলিয়ে যায়। অবশ্য এক্ষেত্রে এটা বলা আবশ্যক যে, পরিণত স্তনের আকার ও আকৃতির মধ্যে অনেক পার্থক্য বিদ্যমান তাই চতুর্থ ও পঞ্চম পর্ব সবসময় পৃথকভাবে নির্ণয় করা নাও যেতে পারে।

শ্রোণীদেশের কেশ (পিউবিক হেয়ার)
শ্রোণীদেশীয় কেশ বয়ঃসন্ধিতে উপনীত হওয়ার দ্বিতীয় সুস্পষ্ট লক্ষণ, যা থেলারশে শুরু হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই দেখা যায়। এটাকে পিউবার্কি (pubarche) বলা হয় এবং প্রথমে সাধারণত যোনীর লেবিয়ার আশেপাশেই এই কেশের অস্তিত্ব ফুটে ওঠে।[১২] প্রথম উদ্ভিন্ন কয়েকটি কেশ দ্বিতীয় ট্যানার পর্ব হিসেবে অভিহিত করা হয়। ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যেই এটি তৃতীয় পর্বে পৌঁছায়। তখন কেশরাজি পরিমাণে অনেক বৃদ্ধি পায় এবং শ্রোণীমণ্ডপের ওপরেও দেখা যায়। চতুর্থ পর্বে শ্রোণীদেশীয় কেশ খুব ঘনভাবে “ত্রিকোণ শ্রোণীমণ্ডপ‌” ছেয়ে ফেলে। পঞ্চম পর্বে কেশের সীমা নিচের দিকে উরুতে এবং কখনো কখনো ওপরের দিকে অ্যাবডোমিনাল হেয়ার হিসেবে তলপেটে নাভি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ১৫ শতাংশ মেয়ের স্তন বৃদ্ধির আগেই শ্রোণীদেশীয় কেশরাজির আবির্ভাব পরিলক্ষিত হয়।
যোনি, জরায়ু, এবং ডিম্বাশয়
ইস্ট্রোজেন ক্ষরণ বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে যোনির মিউকোসাল পৃষ্ঠের পরিবর্তন হতে থাকে। বয়ঃসন্ধি পূর্ববর্তী উজ্জল লাল ভ্যাজাইনাল মিউকোসার তুলনায় এটি মোটা এবং এর রঙ অনুজ্জল গোলাপী হতে থাকে। ইস্ট্রোজেনের প্রভাবে সাধারণত সাদা রঙের তরল পদার্থও ক্ষরিত হয় (যা সাদাশ্রাব হিসেবে পরিচিত)। থেলারশে পরবর্তী দুই বছরে জরায়ু এবং ডিম্বাশয় আকারে বৃদ্ধি পায় এবং ডিম্বাশয়ের ফলিকলগুলো বড়ো আকৃতিপ্রাপ্ত হয়। ডিম্বাশয় সাধারণত ছোটো ফলিকুলার সিস্ট দ্বারা পরিপূর্ণ থাকে যা আলট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে বোঝা যায়।
রজঃচক্র এবং উর্বরতা
প্রথম রজঃচক্রকে মেনারশে বলে এবং সাধারণত থেলারশে শুরু হওয়ার দুই বছর পরে এটা শুরু হয়। আমেরিকান মেয়েদের মধ্যে মেনারশে শুরু হওয়ার গড় বয়স ১১.৭৫ বছর। প্রথম দুই বছর মেনসেস (মাসিক রক্তস্রাব বা মাসিক) অনিয়মিত হয় অর্থাৎ প্রতি মাসে হয় না। উর্বরতার জন্য ডিম্বক্ষরণ (Ovaluation) জরুরি, কিন্তু প্রথম দিকের মাসিকগুলোতে ডিম্বক্ষরণ ঘটতেও পারে আবার নাও ঘটতে পারে। প্রথম রজঃচক্র হওয়ার পরবর্তী প্রথম বছরে (প্রায় ১৩ বছর বয়সে) ৮০% মেয়ের রজঃচক্রে একবার ডিম্বক্ষরণ ঘটে, ৫০% মেয়ের তৃতীয় বছরে (প্রায় ১৫ বছর বয়সে) এবং ১০% মেয়ের ষষ্ঠ বছরে (প্রায় ১৮ বছর বয়সে) একবার ডিম্বক্ষরণ ঘটে।
দেহের আকার, মেদ
মাসিকের সময়, ইস্ট্রোজেন হরমোনের সীমা বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে পেলভিসের অর্ধনিম্নাংশ বা হিপ প্রশস্ত হতে শুরু করে। এর ফলে জন্ম নালি (birth canal) আরো বড়ো হয়। মেদ কলার বৃদ্ধি ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের শরীরের বেশি অংশ জুড়ে ঘটে। সাধারণত মেয়েদের শরীরের যেসকল স্থানে মেদ কলার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় তার মধ্যে আছে: দুই স্তন, হিপ, নিতম্ব, উরু, উপরের বাহু, এবং পিউবিস। দশ বছর বয়সে, একটি মেয়ের শরীরে একই বয়সের একটি ছেলের তুলনায় গড় চর্বির পরিমাণ থাকে মাত্র ৫% বেশি, কিন্তু বয়ঃসন্ধির শেষে এসে এই পার্থক্য হয় ৫০%-এর কাছাকাছি।

নিউরোহরমোনাল প্রক্রিয়া

হাইপোথ্যালামাস, পিটুইটারি, গোনাড, ও অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি নিয়ে অন্তক্ষরা প্রজননতন্ত্র গঠিত। এছাড়া এর সাথে শরীরের আরো অনেক তন্ত্র জড়িত। সত্যিকারের বয়ঃসন্ধিকে ইংরেজিতে সেন্ট্রাল পিউবার্টি বা কেন্দ্রীয় বয়ঃসন্ধি হিসেবে অভিহিত করা হয়, কারণ কেন্দ্রীয় স্নায়ু তন্ত্রের একটি প্রক্রিয়া হিসেবে এই পরিবর্তন শুরু হয়। হরমোনগত বয়ঃসন্ধির সাধারণ বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো:
  • মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অংশ জিএনআরএইচ হরমোন ক্ষরণ শুরু করে।
  • পিটুইটারি গ্রন্থির বাহিরের অংশ কাজ করা শুরু করে, এবং এলএইচ ও এফএসএইচ হরমোন ক্ষরণ হওয়া শুরু হয়, ও রক্তের মাধ্যমে তা প্রবাহিত হয়।
  • এলএইচ ও এফএসএইচ হরমোনের প্রভাবে যথাক্রমে ডিম্বাশয় ও শুক্রাশয় কাজ করা শুরু করে। সেই সাথে এরা যথাক্রমে এস্ট্রাডিওল ও টেস্টোস্টেরন উৎপন্ন করা শুরু করে।
  • শরীরে এস্ট্রাডিওল ও টেস্টোস্টেরনের বৃদ্ধি ঘটায় মেয়ে ও ছেলের মাঝে বয়ঃসন্ধিকালীন বৈশিষ্টগুলো প্রকাশ পেতে থাকে।
শরীরে শুরু হওয়া নিউরোহরমোনাল প্রক্রিয়ার এই পরিবর্তন দেখতে ১-২ বছর সময় লাগতে পারে।
[ উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে ]
  • রবিবার, জুলাই ১০, ২০১৬
  • BD News Tracker
  • No comments


              www.bdnewstracker.blogspot.com
২০ মিনিটে গায়েব হবে পেটের মেদ। না আপনির ঠিক পড়ছেন। প্রতিদিন মাত্র ২০ মিনিট ওয়েট লিফটিং আর আপনি পাবেন মেদহীন পেট।
সম্প্রতি হার্ভার্ড স্কুল অফ হেলথের অধ্যাপক ফ্র্যাঙ্ক হু একটি গবেষণা করে জানান, অন্যান্য ব্যামের পরিবর্তে ওয়েট ট্রেনিং করলে মেদ ঝড়ে তাড়াতাড়ি। সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, ওয়েট ট্রেনিং ও অ্যারোবিক্স একসঙ্গে চালালে ফল মিলবে আরও দ্রুত।
সম্প্রতি বছর চল্লিশের ১০৫০০ জন নারী-পুরুষের উপর পরীক্ষা চালিয়েই এই সিদ্ধান্তে এসেছেন তিনি। গবেষকের তথ্য অনুসারে, যারা প্রতিদিন অন্তত মিনিট কুড়ি ভারোত্তলনের পিছনে ব্যয় করেন তাদের কোমরের মেদ অতি দ্রুত ঝরে যায়।
আর দিনে যারা মডারেট অ্যারোবিক্সের মধ্যে থাকেন,ফ্যাট কমার হারের দিক থেকে তাদের স্থান দ্বিতীয়। আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিঁড়ি ভাঙার মতো এক্সারসাইজ।

মেদ কমাতে শিখে নিন একটি সহজ ব্যায়াম

                   www.bdnewstracker.blogspot.com

দেহের অন্যান্য স্থানের মেদের তুলনায় অনেক বেশি বিরক্তিকর মেদ হচ্ছে কোমরের মেদ, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় লাভ হ্যান্ডেলস। পেটের মেদ, হাত-পায়ের মেদ এমনকি মুখের মেদও বেশ সহজেই ঝড়িয়ে ফেলা সম্ভব হয়। কিন্তু কোমরের দুপাশে উঁচু হয়ে ফুলে থাকা এই বিরক্তিকর মেদ দূর করা বেশ কঠিন। তবে আপনার নিয়মিত মাত্র ১ টি ব্যায়ামে এই বিরক্তিকর কোমরের মেদও ঝড়িয়ে ফেলা সম্ভব বেশ সহজেই এবং দ্রুত।
খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী মাত্র ১ টি ব্যায়াম শিখে নিন

কোমরের মেদ ঝড়াতে আপনাকে অবশ্যই ব্যায়াম করতে হবে। কারণ কোমরের মেদ এমন এক ধরণের মেদ যা শুধুমাত্র খাবার নিয়ন্ত্রণ করে দূর করা সম্ভব নয়। তবে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই, কারণ খুব বেশি কঠিন ব্যায়াম করতে হবে না। খুব সহজ মাত্র ১ টি ব্যায়াম শিখে নিন। এই ব্যায়াম নিয়ম করে প্রতিদিন করে যেতে হবে। ভুল করা চলবে না, এতে বেশ দ্রুতই মুক্তি পাবেন কোমরের মেদ থেকে।

    - প্রথমে দুই পা সামনের দিকে ছড়িয়ে মেঝেতে বসুন। এরপর দু পায়ের পাতা, কোমর এবং কোমরের পেছনের অংশের উপর ভর দিয়ে কোমর থেকে দেহের উপরের অংশ পেছনের দিকে হেলিয়ে নিন।
    - এবার দুহাত একসাথে করে রেখে দেহের উপরের অংশ একবার ডানে নিয়ে হাত মাটিতে ছোঁয়ান। আবার একইভাবে বামে ছোঁয়ান।
    - এই ডান-বাম করার ব্যাপারটি দ্রুত করে করবেন। তবে প্রথমে খুব বেশিবার করবেন না, যতোটা পারবেন ততোটাই করুন। ধীরে ধীরে এর মাত্রা এবং গতি দুটিই বাড়িয়ে দেবেন। খুব দ্রুত ফলাফল পেয়ে যাবেন।
    - আরও ভালো ফলাফলের জন্য পায়ের পাতা মেঝে না রেখে পা দুটো একটু উপরে তুলে নিয়ে শুধুমাত্র কোমর ও কোমরের পেছনের অংশে ভর দিয়ে ব্যায়ামটি করে নিতে পারেন।
    - প্রথম দিকে প্রতিদিন ২-৫ মিনিট এই ব্যায়াম করুন, এরপর দেহ সয়ে এলে ব্যায়ামের সময় বাড়িয়ে নিন।

মনে রাখুন ছোট্ট কিছু বিষয়

    - ব্যায়ামের পাশাপাশি খাবারের দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে। অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে এই ব্যায়াম করলে ফলাফল পাওয়া সম্ভব নয়।
    - চিনি ও চিনি জাতীয় খাবার এবং পানীয় দূরে রাখুন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন একেবারে।
    - সকালে মাত্র ১০ মিনিটের জগিং বা সাইকেল চালানোর অভ্যাস অনেক দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করতে পারে। যদি পারেন এই অভ্যাসটিও রপ্ত করে ফেলুন।
    - প্রচুর পরিমাণে পানি পানের অভ্যাস করুন। এবং উপরের ব্যায়ামটি প্রতিদিন করুন।

সূত্রঃ ওয়েটলস.অলউইমেনটক

যে অভ্যাসগুলো আপনার পেটের মেদ তৈরির জন্য দায়ী!
               www.bdnewstracker.blogspot.com
পেটের  মেদ নিয়ে চিন্তার শেষ নেই! ব্যায়াম, ডায়েট ইত্যাদি কত কিছু না করছেন পেটের মেদ কমানোর জন্য। কিন্তু নিজের অভ্যাসের দিকে লক্ষ্য করেছেন কি? হ্যাঁ, আপনার কিছু প্রাত্যহিক অভ্যাস পেটের মেদ বৃদ্ধির জন্য দায়ী। এই অভ্যাসগুলো থাকলে ডায়েট, ব্যায়াম করে পেটের মেদ সাময়িকভাবে কমলেও আবার পুনরায় পেটে মেদ দেখা দিবে। তাই আজই ত্যাগ করুন এই বদঅভ্যাসগুলো।
১। ডায়েট পানীয় আসক্তি
আপনি যদি মনে করেন ডায়েট ড্রিঙ্ক স্বাস্থ্যের জন্য ভাল এবং এটি ওজন বৃদ্ধি করে না। তবে আপনি ভুল ধারণা নিয়ে আছেন। University of Texas Health Science Center ৪৭৫ জনের মধ্যে জরিপ চালিয়েছিল, সেখানে দেখা গেছে যারা ডায়েট ড্রিঙ্ক পান করেছেন তাদের ৭০% পর্যন্ত কোমর বৃদ্ধি পেয়েছে যারা ডায়েট ড্রিঙ্ক পান করেন না তাদের তুলনায়। শুধু তাই নয় যারা দুইয়ের বেশি ডায়েট ড্রিংক পান করেন তাদের ৫০০% পর্যন্ত কোমড় বৃদ্ধির তথ্য পাওয়া যায়!
২। ডেস্ক জব
ডেস্ক জব বা বসে কাজ করা স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষত পেটের মেদ জমার প্রধান কারণ। এটি আপনার পেট, কোমর এবং পেটের আশেপাশে মেদ জমিয়ে দিয়ে থাকে। শুধু ছেলেরা নয় মহিলাদের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।
৩। দেরি করে রাতের খাবার খাওয়া
এটি সত্য যে শরীর ঘুমন্ত অবস্থায় আপনার পেটের মেদ কেটে থাকে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় আপনি ভরা পেটে ঘুমাতে যাবেন। ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করেন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ক্ষুধা পেলে হালকা ছোট ফল বা দুধ খেতে পারেন।
৪। মন খারাপের সময় খাওয়া
অনেকেই মন খারাপ বা মন চিন্তাগ্রস্ত হলে খাওয়া শুরু করে দিন। এটি আপনার পেটের মেদ বৃদ্ধির জন্য অনেকাংশ দায়ী। কারণ স্ট্রেসের সময় আপনার খেয়াল থাকে না, আপনি কি পরিমাণে খাবার খাচ্ছেন। স্ট্রেস বা মন খারাপের সময় খাওয়ার পরিবর্তে কয়েক গ্লাস পানি পান করুন বা ব্যায়াম করুন। এটি আপনার স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করবে।
৫। প্রোটিনের অভাব
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ গ্রাম পরিমাণে প্রোটিন খাওয়া উচিত। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ অতিরিক্ত ১০ গ্রাম প্রোটিন খেতে পারে সুস্বাস্থ্যের জন্য। প্রোটিন ব্লাড সুগার লেভেল এবং ইনসুলিনের লেভেলের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখে। এই প্রোটিনের অভাবেও আপনার পেটের মেদ জমতে পারে।
৬। টিভি দেখতে দেখতে খাওয়া
এই কাজটি অনেকেই করে থাকেন। registered dietitian nutritionist Leslie Schilling বলেন আপনার জন্য খাবার গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন যখন আপনি টিভি, কম্পিউটার দেখতে দেখতে খান। এটি খাবারের দিক থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিয়ে আসে। যার ফলশ্রুতিতে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া হয়ে যায়।
৭। অপর্যাপ্ত ঘুম
অপর্যাপ্ত ঘুম দেহের করটিসল (স্ট্রেস হরমোন) বৃদ্ধি করে থাকে। যা চিনি খাওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দিয়ে থাকে। রাত জাগা অভ্যাস থাকলে আজই বাদ দিন। আর চেষ্টা করুন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানোর।
ব্যায়াম এবং ডায়েটের পাশাপাশি এই অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে পেটের মেদ হ্রাস করার জন্য। শুধু তাই নয় এই অভ্যাসগুলো স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক ক্ষতিকর।

WATCH ON LINE MOVIES

https://radio.net.bd/#bhumi

এ জীবনে যারে চেয়েছি |

ALL FM RADIO BANGLA & INTERNATIONAL

CLICK PIC https://radio.net.bd/#bhumi

POPULAR NEWSPAPER

Daily Prothom Alo    Amar Desh Daily Naya Diganta Daily Jai Jai Din Shamokal
Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Latest News

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Subscribe Here

GOOGLE SCARCH

Recent posts

Follow us on facebook

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

THE LIFESTYLE

','5','featcat' );

Face book page

পিওর খেজুরের রস ১২০ টাকা

খাঁটি খেজুরের গুড় চট্টগ্রাম শহরে দিচ্ছে চাটগারা মামু

পিওর খেজুরের রস চট্টগ্রাম

On line income

আপনাদের জন্য সু-খবর, ইতিপূর্বে আপনারা, যারা ফেসবুক, টুইটার, ইন্ট্রাগ্রাম ইউটিউব এর মত, আর অনেক সোস্যাল মিডিয়া, ব্যাবহার করে আসছেন, কিন্তু আপনি বা আপনারা এর পোষ্ট দেখেন কিন্তু এর থেকে নিজেরা কোন ইনকাম করতে পারছেন না । তারা লাইক, কমেন্ট , শেয়ার ও রেফার করে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন । একটি Web Talk একাউন্ট খোলার জন্য আপনি আমার Web talk referral Id -dewanmd.akhtarhossai রেফারেল লিংক দিয়ে আপনার একটি Web Talk অ্যাকাউন্ট তৈরি করে আপনার ফ্রেন্ড কে রেফার করে জয়েন করালে এবং আপনি লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এখান থেকে ডলার কমিশন আয় করতে পারবেন ।, Web Talk সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো টাকা বিনিয়োগ করতে হবে না। বরং আপনি বিনা মূল্যে এখন থেকে আপনি ৫ লেবেল পর্যন্ত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এই ভিডিও টি সম্পূর্ণ দেখুন । নিচের দেওয়া লিংক ক্লিক করে এখনি রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন । web talk referral link https://get.webtalk.co/dewanmd.akhtarhossain Web talk referral ID - dewanmd.akhtarhossain প্রথমে নিজে রেজিস্ট্রেশন করুন। নিজের লিংক দিয়ে অন্যদের একাউন্ট করে দিন তাই আপনাদের অনুরোধ করে বলবো আর দেরি না করে শুরু করে দিন। কোন সমস্য মনে হলে আমার সাথে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

Delta Life Job post

দেশের শির্ষস্থানীয় জীবন বীমা কোম্পানি ডেল্টা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানি পরপর চারবার আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেঙ্কিং ট্রিপল AAA অর্জনকারী বীমা কোম্পানি। ডেল্টা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানি বর্তমানে ১০ ১৫ ও ২০ বছর মেয়াদের পলিসিতে সবচেয়ে বেশি বোনাস দিচ্ছে এবং দ্রুত বীমা দাবি পরিশোধ করছে। চট্টগ্রাম এলাকায় ডেল্টা লাইফের বীমা পলিসি বাজারজাত করনের কাজকে পেশা হিসাবে গ্রহনের মাধ্যমে অধিক আয় ( ন্যূনতম ১৫০০০ হইতে ২৫০০০ হাজার টাকা ) করতে আগ্রহি স্মার্ট, সৎ, উদ্যোগী, ও আত্ম বিশ্বাসী, পুরুষ ও মহিলা প্রার্থীর নিকট হইতে নিন্ম লিখিত পদে নিয়োগের জন্য dewanctg70@gmail .com ই মেইলে দরখাস্ত আহ্বান করা যাইতেছে । ফিনান্সিয়াল এসোসিয়েট ২০ জন ইউনিট মানাজার ১০ জন ছাত্র , ছাত্রী ও গৃহিণীদের জন্য পার্ট টাই ও ফুল টাইম কাজ করার সুযোগ আছে। Branch Manager, 01818-029316 Delta life insurance Company

POPULAR PAPER HOUSE

Popular Posts

শুধু তোমাকে চাই ।

বিডি নিউজ ট্র্যাকার একটি নিউজ মিডিয়া । আমাদের জীবনে প্রয়োজনীয় নানা রকম তথ্য ,খবর ,অপ্রত্যাশিত সংবাদ,বার্তা ও বিনোদনের খোঁজখবর জাতিও ও আন্তর্জাতিক পত্রিকায় প্রকাশিত এবং নানা রকম নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হইতে সংগ্রহ করে BD NEWS TRACKER এর মাধ্যমে উপস্থাপন করে সেবা প্রদান করাই আমাদের উদ্দেশ্য ।